5:27 am - Saturday August 19, 2017

ছাগলটিকে নিজের ইচ্ছায় পিঠে উঠিয়েছেন ইনি, কারণ জানলে অবাক হবেন

গুপি-বাঘার সেই বিখ্যাত গানের লাইনগুলো মনে পড়ে? ‘দুনিয়ায় কত আছে দেখবার, কত কি জানার, কত কি শেখার!’ গানের কথাগুলি কিন্তু বড় মূল্যবান। সত্যি তো, জানার সবটাই পড়ে রয়েছে এখনও। বিশেষ করে এই প্রতিবেদন পড়ার পরে সেটাই আবার মনে হবে নতুন করে।

যে প্রাণীটির দুধ, মাংস আর চামড়া নিয়েই এতকাল সন্তুষ্ট ছিল মনুষ্যজাতি, এইবার তাকে অন্যভাবে কাজে লাগানোর ফন্দিও বের করে ফেলেছে তারা। আর সেই কাজটি হল শরীরচর্চা।

একটু বুঝিয়ে বলা যাক। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে যোগব্যায়ামের কদর। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ছে ভারতীয় সনাতন শরীরচর্চার পদ্ধতিটি। নির্বিশেষে প্রায় সকলেই যোগব্যায়ামকে আপন করে নিয়েছেন নিজের মতো করে।

সম্প্রতি এমন এক নয়া যোগের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন মার্কিন মুলুকের বাসিন্দারা, যা সত্যিই তাক লাগিয়েছে বিশ্ববাসীকে। বিষয় হল, ছাগলের সঙ্গে যোগাভ্যাস শুরু করছেন তাঁরা।

হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন, ট্রাম্পের দেশে এখন বেশ জনপ্রিয় এই প্রক্রিয়া। এই ধরনের যোগ ক্লাসের আয়োজন করা হয় কোনও একটি খামারবাড়িতে। তাতে যোগ দেন মার্কিন বাসিন্দারা। একজন প্রশিক্ষক থাকেন। তাঁর নির্দেশেই উন্মুক্ত আকাশের নীচে চলতে থাকে এই যোগের পালা।

পাশে অবাধে বিচরণ করতে থাকে ছাগলের পাল। ছবিতে যেমন দেখা যাচ্ছে, কখনও তারা উঠে পড়ছে যোগরত মহিলার পিঠের উপর, কখনও বা তাঁদের চুলে মুখ গুঁজে দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, প্রথম প্রথম যাঁরা এই যোগাভ্যাস করতে আসেন, ভয় পেয়ে যান। কিন্তু ধীরে ধীরে তাঁরা ভালবেসে ফেলেন এই নিরীহ প্রাণীদের। সাধারণ ছাগলের থেকে অনেকটাই ছোট আকৃতির এই ‘নাইজিরিয়ান ডোয়ার্ফ গোট’গুলি।

ফলে তাদের পিঠে নিতে কোনও সমস্যা হয় না। বরং অনেকেই এতে বেশ আরাম বোধ করেন। নিয়মিত যাঁরা এই যোগাভ্যাস করে থাকেন তাঁদের মতে, এতে ফল মেলে দ্বিগুণ। যোগের ফলে যেমন শরীর সুস্থ থাকে, তেমনই ছোট ছোট ছাগলের পায়ের চাপে সুন্দর ‘ম্যাসাজ’ও হয়ে যায়। যোগের এই নয়া পন্থা বেশ সাড়া ফেলেছে মার্কিন মুলুকের বাসিন্দাদের মধ্যে। অনেকেই এই উপায় অবলম্বন করছেন শরীর ও মন সুস্থ রাখার তাগিদে।


Filed in: এক্সক্লুসিভ