তুষারের নিচে যুক্তরাষ্ট্র |
|||||
হোয়াইট হাউসকে এবার দারুণ ‘হোয়াইট’ মনে হচ্ছে! তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা হোয়াইট হাউসকে শ্বেতশুভ্র করার পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন শনিবারের প্রবল তুষারপাতকে। উপদেষ্টারা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তুষারঢাকা রাজপথে বের না হবার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরামর্শ উপেক্ষা করে তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মিটিংয়ে যান। সেখানে ওবামা যত কথা বলেন, তার বেশিরভাগ জুড়ে ছিল তুষার প্রসঙ্গ। তুষারের দৌরাত্ম্য নিজের চোখে দেখে তিনি মজা করে এর নাম দেন ‘ে ামাগেড্ডন’। কেবল রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণাঞ্চলীয় নিউ জার্সি পর্যন্ত বিশাল এলাকা জুড়ে চলেছে তুষারের তান্ডব। এসব এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভার্জিনিয়ায় তুষারপাত জনিত দুর্ঘটনায় কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যার পর বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে। যানবাহন চলাচলও থেমে যায়। বাতিল করা হয় হাজার হাজার উড়োজাহাজের ফ্লাইট। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া থেকে নিউ জার্সি পর্যন্ত এলাকায় ২০ থেকে ৪০ ইঞ্চি পর্যন্ত পুরু বরফের আস্তরণ পড়ে। সকাল বেলায় বেশিরভাগ মানুষ ঘরের বাইরে এসে পার্ক করা গাড়ি কিংবা অন্যান্য সামগ্রী খুঁজে পেতে হিমশিম খায়। কারণ সবই ঢাকা পড়েছিল বরফের নিচে। ওয়াশিংটন এলাকায় ২ লাখ ৩০ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে। বরফের আস্তরণে গাছপালার রংও সাদা হয়ে যায়। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ঠিক হতে কয়েকদিন সময় লেগে যেতে পারে। ওয়াশিংটন শহরতলীতে ৩২ ইঞ্চি পর্যন্ত পুরু বরফের আস্তরণ পড়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে ওয়াশিংটনে এ ধরনের বরফ পড়ার নজির নেই। ওয়াশিংটনের মেয়র অ্যাড্রিয়ান ফেনটি স্থানীয় টেলিভিশনে বলেন, এতো তুষারপাত ঘটেছে যে আমাদের অনেকেই এরকম তুষারপাত সারা জীবনে দেখেননি। শত শত ট্রাক রাস্তা থেকে বরফ সরানোর কাজে নেমে পড়েছে। খবর রয়টার্স, এপি ও বিবিসির।
|










